ঈদ সামনে রেখে নতুন বিধিনিষেধ দুবাইয়ে

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ঈদ, এ কারণেই বাড়তি সতর্ক দুবাই কর্তৃপক্ষ। সেখানকার জরুরি সংকট ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবারের ঈদুল আজহায় ঈদ জামায়াতের অনুমতি দিয়েছে। তবে তার জন্য একঝাঁক বিধিনিষেধ অনুসরণ করতে হবে মুসল্লিদের।

ঈদ জামায়াতের পর খুতবার জন্য সময় বরাদ্দ সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট। নামাজের ১৫ মিনিট আগে খুলে দিতে হবে মসজিদ ও ঈদগাহর দরজা আর নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো ফের বন্ধ করতে হবে।

মুসল্লিদের ব্যক্তিগত জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। নামাজের জায়গায় সামাজিক দূরত্ব নির্দেশক স্টিকার লাগানো থাকবে।

করোনা পজিটিভ রোগী এবং তাদের ঘনিষ্ঠদের ঈদ জামায়াতে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ১২ বছরের কম এবং ৬০ বছর বয়সোর্ধ্বদেরও বাসায় নামাজ আদায়ের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

ওয়াশরুম ও ওজুখানার মতো সুবিধাগুলো বন্ধ থাকবে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে করমর্দন ও কোলাকুলি। নামাজের আগে বা পরে মুসল্লিরা কোথাও জড়ো হতে পারবেন না।

দুবাইয়ে আগে থেকেই বেশ কিছু বিধিনিষেধ কার্যকর রয়েছে। তবে ঈদ উপলক্ষে সেগুলোতে কিছুটা শিথিলতা আনা হয়েছে। যেমন-

পরীক্ষামূলকভাবে একমাসের জন্য সরাসরি বিনোদনমূলক কার্যক্রমের অনুমতি দেয়া হয়েছে। গত ৬ জুন থেকে এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে, যার সময়সীমা পরবর্তীতে আরও বাড়ানো হতে পারে।

হোটেলগুলো শতভাগ পূরণ করা যাবে। তবে বিনোদনকেন্দ্রগুলো ধারণক্ষমতার ৭০ শতাংশ ভ্রমণার্থী প্রবেশ করাতে পারবে।

হোটেল বা অন্য জায়গাগুলোতে সর্বোচ্চ ১০০ জন রেখে বিয়ের আয়োজন করা যাবে। তবে সকল কর্মী ও অতিথিদের অবশ্যই টিকা নেয়া থাকতে হবে। আর বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করলে সর্বোচ্চ ৩০ জন অতিথি থাকতে পারবে।

রেস্টুরেন্টে এক টেবিলে সর্বোচ্চ ১০ জন বসে খেতে পারবে, ক্যাফেতে বসতে পারবে ছয়জন।

সামাজিক দূরত্ব রাখার শর্তে অনুমতি দেয়া হয়েছে কনসার্ট বা অন্য খেলাধুলার অনুষ্ঠান আয়োজনেরও। তবে যেকোনো ধরনের জনসমাগমে মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।

সূত্র: খালিজ টাইমস

বাংলা প্রবাহ/এম এম

, , ,
শর্টলিংকঃ