‘কে এই আলী আসগর?’ রাবি শিক্ষককে নিয়ে সাবেক শিক্ষার্থীদের ফেসবুক পোস্ট

আজ (২ জুলাই) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপসায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক আলী আসগর কে নিয়ে সাবেক শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করে। মাহফুজ আল আমিন, ওমর ফারুক ফারফিন, Urmi Rahman, Tarif Zaman, Togor Md. Saleh, Borhan khan johny, গোলাম সারোয়ার রাসেল সহ অন্যান্য ফেসবুক আইডি থেকে ফেসবুক পোস্টটি করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টের কিছু স্কিনশর্ট বাংলা প্রবাহের হাতে এসেছে। সাবেক শিক্ষার্থীদের সেই ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো।

”কে এই আলী আজগর শান্ত? কি তার আসল পরিচয়? কেন সে সেলিব্রেটি হতে চাই? কেন সে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে মিথ্যাচার করে পোষ্ট দেয়? কেন ১৩৮ নিয়োগ নিয়ে পাগল?

আসুন খুবই সংক্ষেপে জেনে নিই তার আসল রুপ।

১। আলী আজগর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা না থাকায় নারিকেল বাড়িয়া কৃষি কলেজের শিক্ষকতা করতেন কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে চারটি ফাস্ট ক্লাস লাগে কিন্তু তার দুইটিতে সেকেন্ড ক্লাস ছিল।

২। নারিকেল বাড়িয়ায় অবস্থিত কৃষি কলেজকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি অনুষদের মধ্যে আত্তীকরণ না করলে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারতেন না। তিনি বায়োকেমিস্ট্রির ছাত্র হয়ে ক্রপসায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক!

৩। ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারলাম তিনি নিজেকে অনেক বড় আওয়ামী লীগার দাবী করেন অথচ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে তিনি জয়েন করেন ২০০১ সালে কিন্তু বড়ই আশ্চর্যের বিষয় তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সদস্য হন ২০১২ সালের মে মাসে। তিনি যদি সত্যিই আওয়ামী লীগ ও প্রগতিশীল মতাদর্শের মানুষ হতেন তাহলে কেন ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ করলেন না! আর কেনইবা সুসময়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করলেন?

৪। যার রেজাল্ট এরকম তিনি আবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা নিয়ে কথা বলেন যেটি বড়ই লজ্জাজনক।

৫। একজন শিক্ষক হওয়ার পরেও তিনি সোশ্যালমিডিয়ায় সেলিব্রিটি হতে চাই যার প্রমাণ তিনি হাজার হাজার টাকা খরচ করে পোষ্ট বুষ্ট করে, পেজ প্রোমোট করে।

৬। তিনি সদ্য নিয়োগ পাওয়া তার কলিগদের নিয়োগ যেন বাতিল হয় সেজন্য এখনো হাইকোর্টে রিট করে সেই মামলা চলমান রেখেছে অথচ ক্রপ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগে যারা নিয়োগ পেয়েছে তাদের একাডেমিক রেজাল্ট ভালো।

৭। তিনি তার ছাত্র-ছাত্রীদেরদের জীবন/ক্যারিয়ার নিয়ে খেলা করার অভিযোগ রয়েছে যেটির বিচারকাজ এখনো চলমান।

আরো অনেক অপকর্মের প্রমাণ আছে যেগুলো পরবর্তীতে আসবে…”

বাংলা প্রবাহ/এম এম

,
শর্টলিংকঃ