ছাত্রলীগের চাকরি বাতিল করতে রাবির রুটিন ভিসি জামাত-বিএনপির এজেন্টের ভুমিকায়: আতিকুর রহমান

প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা স্যার- আপনি কার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করছেন???ফিরোজ মাহমুদ রাবি ছাত্রলীগের দু:সময়ের নেতা, মর্তুজা ছাত্রলীগ নেতা সেই সাথে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাথে থেকে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে সবসময় তৎপর থেকেছে, আপনার সহকর্মীর দুই সন্তানের নামও উল্লেখ করেছেন অথচ আপনারও সন্তানতুল্য। এরা প্রত্যেকেই আবার রাবির শিক্ষার্থী মানে আপনার ছাত্র।

রাবির ইতিহাসে কলঙ্কিত ঘটনা যে দলীয় কোন ভিসি বা রুটিন ভিসি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বা তার সন্তানতুল্য সহকর্মীর সন্তানের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করলেন। তাও আবার আন্দোলন কেন্দ্রিক। পেটে লাথি মারবেন আর সে চুপ করে থাকবেন?? প্রতিবাদ করলেই হয়ে যায় হুমকি!!!

অথচ সাবেক ভিসি ড. এম আব্দুস সোবহান স্যারের বাসায় অনেক বার তালা মারার বিষয় দেখেছি অথচ তিনি তাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বিবৃতিও দেননি কখনও। আর আনন্দ স্যারের বাসায় একদিন যাওয়াতেই তালা না মারতেই থানায় করে দিলেন জিডি!!!

আপনি অন্তত ৭০+ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের অসহায় নেতাকর্মীদের দুই মাস যাবত কতটা খারাপ সিচুয়েশনে রেখেছেন সেটা কি আপনি জানেন বা উপলব্ধি করেন? তাদের পরিবার পরিজন কিভাবে দিন পার করছে? আপনি সেটা উপলব্ধি করতে পারবেন না কারণ আপনি সেই চেতনায় বিশ্বাস বা ধারণ করেন না। এটা প্রমানিত।

তাদের চাকরি বাতিল করে দিতে সবকিছু করে যাচ্ছেন বিএনপি জামাতের এজেন্ট হয়ে। আর ক্ষতিগ্রস্থরা সামান্য প্রতিবাদ করলে হুমকি হয়ে যায়??? শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসি যেটা করেনি আপনার কি এত স্বার্থ ছিলো নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেওয়া? আপনি জানতেন আপনি এই আদেশ দিতে পারেন না। তবুও আপনার হীন উদ্দেশ্যে ও প্রতিহিংসার কারনে সেটা করলেন।

আপনি যে কি সেটা তো কারো বুঝতে বাকি নেই। বিভিন্নভাবে শোনা যাচ্ছে রাবির ভিসি হওয়ার জন্য নাকি দিল্লি থেকে মোদি সাহেবকে দিয়ে সুপারিশ করিয়েছেন, খুব কনফিউজড!! স্যার আপনি কি এদেশের নাগরিক না ভারতের ???

আপনার মতো লোক ভিসি হয়ে চার বছর থাকলে তো সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে ৫০০ মামলা হবে। কারণ কোন দাবি দাওয়ায় গেলেই বুঝবে ঠ্যালা

আপনার কাছে কারা সুরক্ষিত? আপনি ১০০% আওয়ামী লীগের কাছে বেইমান। একটা বিষয় ক্লিয়ার আপনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চালাতে অযোগ্য অক্ষম। আপনি সত্যিই আওয়ামী লীগ কে ভালোবাসলে অন্তত আপনার হাত কাঁপতো সেদিনই, যেদিন আপনি নিজেই অবৈধভাবে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন।

আপনার মতো প্রতিহিংসাপরায়ণ লোক, আত্মসম্মানহীন ও নিজের স্বার্থে একজন শিক্ষকের ব্যক্তিত্ত্ব বিসর্জন দিতে পারে তিনি কখনও রাবির মতো এত বড় প্রতিষ্ঠান চালানোর ক্ষমতা নেই। আপনি আমাদের ও আমাদের পরিবারকে যে কষ্টে রেখেছেন তার অভিশাপ লাগবেই। আপনি জিডি তে আজও ‘চাকুরী প্রত্যাশী’ উল্লেখ করেছেন। এতটা মানসিক সমস্যা কেন স্যার? আপনি কি জানেন না আমরা কবে নিয়োগ পেয়েছি এবং যোগদান করেছি?? জিডিতেও মিথ্যাচার করেছেন স্যার!

স্যার আপনাকে স্পষ্ট বলতে চাই আমাদের চাকরি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পেয়েছি। যোগদানও করেছি। এমনিতেই আপনি কোন এখতিয়ার ছাড়াই স্থগিতাদেশ দিয়ে সারাদেশে যথেষ্ট হাসাহাসির পাত্র বানিয়েছেন। আপনি অবৈধভাবে স্থগিতাদেশ দিয়ে আমাদের জীবনের অনেক ক্ষতি করেছেন। অনেকেই সামাজিক ও পারিবারিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খারাপ যা কিছু হবে তার দায় আপনার উপরই দিবো।

রাজনীতির জন্য তো অনেক জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। নিয়োগ পেয়ে যোগদান করে এই অসহায় ছেলেগুলোর জীবন নতুন ভাবে উজ্জীবিত হয়েছিলো।

আপনার এক হঠকারী প্রতিহিংসাপরায়ণ অবৈধ সিদ্ধান্তে আমরা সবাই সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনে প্রচুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এই অধিকার তো আপনার নেই স্যার! বারবার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বুকে চাকু মারছিলেন এত অসহায় মানুষগুলোকে।

৭২ ঘন্টার মধ্যে আপনার নিজের দেওয়া স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে নিয়োগপ্রাপ্তদের স্বাভাবিক বাঁচতে দিন।অন্যথায় নিয়োগপ্রাপ্তদের কোন ক্ষতির সব দায়ভার আপনাকেই নিতে হবে স্যার।

জয় বাংলা

জয় বঙ্গবন্ধু।

সূত্রঃ  মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা  আতিকুর রহমান সুমন 
সাবেক সদস্য,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
সাবেক সহ-সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেওয়া। 
মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা আতিকুর রহমান সুমনের ফেসবুক স্ট্যাটাস
বাংলা প্রবাহ/এম এম
, ,
শর্টলিংকঃ