জামাত-শিবির নেতাদের সাথে নিয়ে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফর্ম ক্রয় ও গণসংযোগ!

ছবিতেঃ মনোয়ন প্রত্যাশী সিদ্দিকের সঙ্গী জামাত সেক্রেটারি ও তার পুত্র

বিশেষ প্রতিবেদক

মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কিন্ত প্রচারণা ও গনসংযোগে সর্বদা সঙ্গী জামাত-শিবির, বিএনপি নেতা ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা। এমন ই অভিযোগ উঠেছে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। এমন ছবি ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও জনসাধারণের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এছাড়া সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ঢাকার লালবাগ এলাকায় নিষিদ্ধ পণ্য পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ব্যবসায়ী সিদ্দীক গত ৯ এপ্রিল জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ অফিস থেকে স্থানীয় জামাত বিএনপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। তার সাথে দেখা যায় মেরুরচর ইউনিয়ন জামাতের বর্তমান সেক্রেটারি মিস্টার ও কয়েকজন শিবির কর্মী। দলীয় অফিসে সিদ্দিকের মনোনয়ন ফরম পূরণ করতে দেখা যায় শিবির কর্মী ইয়ামলিখাকে। সেদিন প্রচুর লোকজনের সমাগম হওয়ায় আওয়ামী নেতাদের চোখ এড়িয়ে যান তারা।

আরো জানা যায়, সিদ্দিক তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করেন বিতর্কিত সব মানুষদের সাথে নিয়ে।
যাদের মাঝে সব সময় দেখা যায় স্থানীয় কিশোর গ্যাং এর সদস্য ও মাদকের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর, কালু, নারী নির্যাতনের একাধিক মামলার আসামী আব্দুর রাজ্জাক মাহমুদ সহ মেরুরচর বিএনপির একাধিক নেতা এবং জামায়াত নেতারা।

ছবিতেঃ মাদক মামলার আসামী জাহাঙ্গীরের সেল্ফিতে সিদ্দিক ও তার সহযোগীরা

গণসংযোগের পাশাপাশি ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ী সিদ্দিক তার পালিত কিশোর গ্যাং এর সদস্যদের দিয়ে নারী ও মাদক সাপ্লাই সহ এলাকায় অপকর্ম করছেন বলে একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায়।

পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কোনো সদস্য পদ না থাকলেও দলীয় পরিচয়ে মেরুরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে চলেছেন সিদ্দীক।

এ বিষয়ে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, যদি আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে কেউ অপকর্ম করে বা দলিয় সুযোগ নিতে ভিন্ন মতাদর্শের কেউ আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করে অবশ্যই তাকে মূল্যায়ন করা হবেনা।

,
শর্টলিংকঃ