নোবিপ্রবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

  • 34
    Shares

রিয়াদুল ইসলাম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:

শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে । এ সময় অস্থায়ীভাবে নিয়োগকৃত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণেরও দাবি জানানো হয় ।

আজ রোববার(২০ সেপ্টেম্বর) নোবিপ্রবি শহীদ মিনারে সামনে বিশ্বববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও অফিসার্স এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই মানববন্ধন করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন, নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক মজনুর রহমান, সহ-সভাপতি ড. আনিসুজ্জামান রিমন, সাবেক স্পিকার আব্দুল মালেক উকিল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, ফিসারিজ এণ্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন পলাশসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা,কর্মচারীর নেতৃবৃন্দসহ আরও অনেকে।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মজনু রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, এগ্রিকালচার বিভাগের প্রভাষক রায়হান আহমেদ রিমন ও এপ্ল্যাইড কেমিস্ট্রি এণ্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক সাদিয়া আফরোজ, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন পলাশ, কর্মচারীদের পক্ষ থেকে টিটু দাস।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন , “করোনা মহামারির সময়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী নিরালসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ীভাবে নিয়োগকৃত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ না হওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। অস্থায়ী শিক্ষকদের নিয়োগের ১ বছর পর স্থায়ী শিক্ষকদের নিয়োগ হলেও তাদের প্রমোশন হচ্ছে। কিন্তু অস্থায়ী শিক্ষকদের প্রমোশন হচ্ছে না। এছাড়া অস্থায়ী শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ না হওয়ার ফলে তারা উচ্চশিক্ষার জন্য ভালো ভালো স্কলারশিপ পেলেও যেতে পারছেন না।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণের কথা চিন্তা করে আমরা এতোদিন কোন কঠোর আন্দোলনে যাইনি। গত ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সবাইকে সাথে নিয়ে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।’

অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান প্রশাসন কারো রাজনীতি বুঝি না। আমরা বুঝি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে অতি শিগগিরই যেন অস্থায়ী কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে স্থায়ীকরণ করা হয়।’

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে শিক্ষামন্ত্রণালয়। ফলে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ।

শিক্ষক সংকটের কারণে দু’চারজন শিক্ষক দিয়েও চালিয়ে নিতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশকিছু বিভাগের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম।

বাংলা প্রবাহ/এম এম

, ,
শর্টলিংকঃ