নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২০২১ উদযাপন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই ২০২১) বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সীমিত পরিসরে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বেলা ১১ টায় এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নোবিপ্রবির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: দিদার-উল-আলম।
উপাচার্য বলেন “একটি বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির পেছনে মহৎ কিছু চিন্তাভাবনা থাকে, এ বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির পেছনেও মহৎ কিছু ব্যক্তির অবদান রয়েছে। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক গ্র্যাজুয়েট দেশে এবং দেশের বাহিরে গিয়েও সুনামের সাথে কাজ করছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভবিষ্যতেও অনেক স্কলার পারসন সৃষ্টি হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বাংলাদেশের স্বপ্ন দ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে আরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করছেন। যা এক সময় বাংলাদেশকে তার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছে দিবে। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রার আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের একটি বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এর অর্জন কম নয়। এ করোনা কালে আমরা করোনা ল্যাব চালু রেখেছি। যা সম্ভব হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষর্থী, কর্মকর্র্তা-কর্মচারীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। এরই মধ্যে আমরা অনলাইন পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করেছি। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। তিনি আরও বলেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাধ্যমে এ বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে। সৎ চিন্তা, চেতনার মাধ্যমে যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা আমরা অর্জন করতে পারবো”।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক মজনুর রহমান, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন পলাশ প্রমুখ। এছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি পরিবারের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, অফিসার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।

শর্টলিংকঃ