ভেষজ উপায়ে চুলের যত্ন

বর্তমান সময়ে রূপ চর্চা থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রেই আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। চুল বা ত্বকের যত্ন পেতে অধিকাংশ মানুষই কৃত্তিম ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে থাকে। এতে দ্রুত ফল পাওয়া গেলেও পার্শ প্রতিক্রিয়া থাকে। তবে প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে ত্বক যেভাবে রিয়্যাক্ট করে, তা সময় সাপেক্ষ হলেও অধিকতর নিরাপদ। ফলে চুলের যত্নে ভেষজ উপায় নিরাপদ। এত চুল সুস্থ, সুন্দর ও ঝলমলে থাকে।

* মেহেদি পাতা বেটে মাথায় লাগালে খুশকি দূর হবে। এ ছাড়া এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে মাথার ত্বকের ইনফেকশন, ফুসকুুড়ি, চুলকানিও দূর হয়ে যাবে।

* চুল কালো ও ঘন করতে আমলকীর বিচিহীন রস আধা লিটার এবং তিলের তেল ১ লিটার একত্রে মিশিয়ে জ্বাল দিন। কালো রং ধারণ করলে নামিয়ে সংরক্ষণ করুন। প্রতিদিন ২ বার ব্যবহার করলে চুল হবে ঘন, কালো ও মসৃণ।

* চুলের গোড়া নরম হলে চুল পড়ে। এ ক্ষেত্রে নারিকেল তেলে মেথি, একাঙ্গি ও জটামাংসী সমপরিমাণ মিশিয়ে ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

* ঘাসজাতীয় সুগন্ধিযুক্ত ভ্যাটিভার চুলের অকালপক্বতা রোধ করে। তেলের সঙ্গে এটি মেশালে সুঘ্রাণ পাবেন, চুল পড়া কমবে ও সাদা চুল কালো করতে প্রাকৃতিকভাবে কাজ করবে।

* কাঠবাদামে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম, যা মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। এর তেল দিয়ে নিয়মিত মালিশ করলে চুল অনেক মজবুত, ঝলমলে, উজ্জ্বল ও খুশকিমুক্ত হয়।

* ব্রাহ্মীযুক্ত তেল চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়। ফলে চুল হয় ঘন ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

* তেলের সঙ্গে অ্যালোভেরা মেশালে এর কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায়। এটি চুল পড়া কমায়। নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। খুশকি দূর করে চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ঝলমলে করে তোলে।

* আমলকীতে থাকা ভিটামিন সি তেলের সঙ্গে জ্বাল দিলেও নষ্ট হয় না। এই তেল চুলের গোড়া শক্তিশালী করে ও চুল পড়া কমায়। এটি খুশকি দূর করে এবং মাথার ত্বকের চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।

* মুকুনওয়েন্না বা সেসিলি একটি লতানো ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ। এটি তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে মালিশ করলে খুশকিসহ ত্বকের যেকোনো ধরনের প্রদাহ কিংবা চুলকানি কমে যায়। অনেক ঔষধি গুণ থাকায় মাথার ত্বকের নানান সমস্যা দূর করে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে এবং স্বাস্থোজ্জ্বল চুল পেতে সাহায্য করে।

#বাংলা প্রবাহ২৪/এএল

,
শর্টলিংকঃ