হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার: টগর মো. সালেহ

ছবিটা সম্ভবত ২০১৫ সালের।  আমি আর মাসুদ শিবিরের হামলায় ইনজুরড হওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে আসার পরের ছবি এটা।

আজকের রুটিন দায়িত্ব প্রাপ্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আনন্দ স্যার সেসময় শিক্ষক সমিতির দায়িত্বে ছিলেন। আমার আর মাসুদের মাঝে দাঁড়িয়ে তিনি ছবি তুললেন।

এর পরেও অনেকবার স্যারের সাথে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে। উনার এখন যেরূপ দেখছি আগে মোটেই সেরকম ছিলেন না।

কিংবা, আগে উনি ভেক ধরে থাকতেন; এখন যেটা দেখছি এটাই তার আসল রূপ।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রণালয় আমার হাত-পা বেঁধে রেখেছে: রাবির রুটিন উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা

উনি যেমন মাসুদ-টগরের সাথে ছবি তুলে রাজনীতি করতে পারেন, তেমনি উনি নিজের প্রয়োজনে মাসুদ-টগরের মতো ছেলেদের পেটে লাথিও মারতে পারেন। হ্যাটস অফ টু ইউ স্যার।

স্যার বরাবরই প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন উনি আমাদের তথা ছাত্রলীগের অনেক বড় শুভাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু উনি এখন দেখাচ্ছেন, ক্ষমতার জন্য উনি সবই করতে পারেন।

শহীদ শামসুজ্জ্বোহা স্যার তাঁর ছাত্রদের জন্য বুকে বুলেট নিয়েছিলেন। আর শহীদ জ্জ্বোহা স্যারের স্মৃতি বিজড়িত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি (রুটিন দায়িত্ব প্রাপ্ত) স্যার আজ ছাত্রদের নামে থানায় জিডি করলেন।

যে সামান্য ঘটনার প্রেক্ষিতে উনি জিডির সিদ্ধান্ত নিলেন, ভবিষ্যতে উনি দায়িত্বশীল জায়গায় আসলে আশা করি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় একজন মহান মানুষ পাবে।

হয়তো “মামলাবাজ ভিসি” নামক কোনো খেতাব তার জুটে যেতে পারে।

তো এই মামলাবাজ ভিসির কিছু তথ্য হাতে এসেছে। খুব শীঘ্রই সেগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।

সূত্রঃ  মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা  টগর মো. সালেহ 
সাবেক সদস্য
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সাবেক ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

এর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেওয়া। 

মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা টগর মো. সালেহ এর ফেসবুক স্ট্যাটাস

বাংলা প্রবাহ/এম এম

, ,
শর্টলিংকঃ