বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কর্মসূচিতে নির্মূল কমিটির সংহতি প্রকাশ

আজ ২৩ শে অক্টোবর (২০২১) সকাল দশটায় সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিমা, পূজা মণ্ডপ, ইসকন মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন, রাম ঠাকুর সমাধি মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির, ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কর্তৃক রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত গণঅনশন, গণঅবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিলে সংহতি প্রকাশ করে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’।

এসময় নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ দেশব্যাপী সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলাকারী ও প্ররোচকদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং অবিলম্বে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ ও ‘জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন’ গঠনের দাবিতে মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে সংহতি প্রকাশ করেন।

উক্ত কর্মসূচিতে সংহতি জানাতে উপস্থিত ছিলেন নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নির্মুল কমিটির উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা লেখক ক্যাপ্টেন (অব.) আলমগীর সাত্তার বীরপ্রতীক, নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফ, নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবুল বারক আলভী, নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তিযোদ্ধা মকবুল ই এলাহী চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম খান রিজভী, লেখক আলী আকবর টাবী, শহীদসন্তান আসিফ মুনীর তন্ময়, ডাঃ মামুন আল মাহতাব, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জান্নাত-ই ফেরদৌসী লাকি, কলামিস্ট অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট লীনা পারভীন, সহকারি অধ্যাপক তপন পালিত, সংস্কৃতিকর্মী পিন্টু সাহা, সমাজকর্মী শেখ আলী শাহনেওয়াজ পরাগ, সমাজকর্মী সাইফ উদ্দিন রুবেল, সমাজকর্মী শিমন বাস্কে, এডভোকেট আসাদুজ্জামান বাবু, ডা. মাসুদ আলমসহ সংগঠনের ঢাকা মহানগরের নেতৃবৃন্দ।

নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফ দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এ বছর দেখেছি শারদীয় দুর্গোৎসবে যেসব স্থানে সহিংসতা হয়েছে সেখানে নিরাপত্তার অভাব ছিল। প্রতিটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর সেখানে পুলিশ উপস্থিত হয়েছে। ইউএনও, ওসি সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা হামলার সময়ে কি করেছেন? স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নেতারাই বা কি করেছেন? দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক হামলার জন্য দোষীদেরকে চিহ্নিত করে যত দ্রুত সম্ভব বিচারের আওতায় আনতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হওয়া একটি দেশে সকল মানুষ সমান। সকলের মধ্যে সম্প্রীতি তৈরী করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

বাংলা প্রবাহ/এম এম

, , ,
শর্টলিংকঃ