বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য ফজলুল হকের কবর জেয়ারত করলেন রাউজানের মেয়র

রাউজান পৌরসভার মেয়র ও রাউজান উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ বলেছেন, ‘জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ স্নেহধন্য ছিলেন। তিনি বেঁচে থাকলে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ হিসেবে সহযোদ্ধাদের কাছে তিনি অনন্য ছিলেন, আজকের রাজনীতিতে তাঁর মতো নেতাদের অনুসরণ করা গেলে তবেই রাজনীতিতে শুদ্ধতা ফিরে আসতো।’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, রাউজান থানা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং যুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনী প্রধান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান-এর তেত্রিশতম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২৩ অক্টোবর সকালে কবর জেয়ারতকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাউজান পৌরসভা আওয়ামী যুব লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু সালেক, রাউজান উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক সাবের হোসেন, ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন, নাসির উদ্দিন, বেলাল হোসেন, ইরফান হোসেন  সিফাত, স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু তৈয়ব, মরহুমের অনুজ এনামুল হক, মুজিবুল হক, এমদাদুল হক, মরহুমের জ্যেষ্ঠ সন্তান কুয়েত মিনিস্ট্রি ডিফেন্সে কর্মরত শওকত ওসমান ও কনিষ্ঠ সন্তান চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের পরিসংখ্যানবিদ শওকত আল-আমিন, আইন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কামরুল আলম সিকদার মিন্টু, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ মফিজ, তরুণ সমাজসেবক মোঃ নোমান সিকদার।

পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মরহুমের সুযোগ্য সন্তান বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে আন্তর্জাতিক কমিটির মহাসচিব লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি। মোনাজাত পরিচালনা করেন মৌলানা সৈয়দ মোহাম্মদ এরশাদ আলম।

বাংলা প্রবাহ/এম এম

, , ,
শর্টলিংকঃ