রাজশাহীতে বেড়েছে চাল, ডাল ও মাংসের দাম, কমেছে মুরগী ও সবজির দাম

রাজশাহীর খুচড়া বাজারে বেড়েছে চাল, ডাল, খোলা সয়াবিন তেল, মশুর ডাল, গরু-খাসির মাংসের দাম। কমেছে ডিম, সবজি, বয়লার ও সোনালি মুরগির দাম।
শুক্রবার সকালে রাজশাহীর সাহেব বাজারে দেখা গেছে, সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা করে বেড়েছে। আঠাশ চালের দাম ৫৩ টাকা থেকে বেড়ে ৫৬ টাকা, স্বর্না ৪৪ টাকা থেকে বেড়ে ৪৮ টাকা, জিরাশাল ৫৮ টাকা থেকে ৬২ টাকা পর্যন্ত মানভেদে বিক্রি হচ্ছে। মশুর ডালের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা। দেশি মশুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকা কেজিতে।
গরুর মাংসের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ৪৪০ টাকার প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা।খাসি ও বকরির মাংসের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা। খাসির মাংস প্রতি কেজি ৮০০ থেকে বেড়ে ৯০০ টাকা পর্যন্ত এবং বকরির মাংস প্রতি কেজি ৬০০ থেকে বেড়ে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে । খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি কেজিতে ২ থেকে ৩ বেড়ে হয়েছে ১৪৩ টাকা। রুই মাছের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।

কমেছে ডিম, সবজি, সোনালি ও বয়লার মুরগি দাম। লাল ডিম ও সাদা ডিমের দাম হালিতে ২ টাকা কমে যথাক্রমে বিক্রি হচ্ছে ৩৩ ও ৩০ টাকা। হাঁসের ডিমের দাম হালিতে ৪ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা। সোনালি মুগরি প্রতি কেজিতে ২০ টাকা দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা দরে। বয়লার মুরগির দাম ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকা। দেশি মুরগির দাম অপরিবর্তিত প্রতি কেজি ৩৯০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দাম কিছুটা কমেছে।  আলু প্রতি কেজি ১৮ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, পেয়াজ ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, দাম কম বা বেশি পাইকারি বিক্রেতাদের উপর নির্ভর করে। এক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতাদের কিছু করার নেই। পাইকারি মূল্য বৃদ্ধির কারণেই খুচরা বাজারে চাল, ডাল তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলা প্রবাহ/এম এম

শর্টলিংকঃ