‘আফ্রিদি চরিত্রহীন-মিথ্যাবাদী ব্যক্তি’

Ecare Solutions

শহীদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করলেন তারই সাবেক সতীর্থ দানিশ কানেরিয়া। হিন্দু ধর্মের অনুসারী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা রটিয়ে অন্যদের উস্কে দিতেন আফ্রিদি এমন বোমা ফাটিয়েছেন সাবকে স্পিনার।

‘আফ্রিদি চায়নি আমি দলে থাকি। সে মিথ্যাবাদী, ম্যানিপুলেটর ও একজন চরিত্রহীন ব্যক্তি। একমাত্র আফ্রিদিই অন্য খেলোয়াড়দের কাছে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে উসকানি দিত। আমি ভালো পারফর্ম করছিলাম। সে আমাকে হিংসা করত। তবে, আমার মনোযোগ ছিল শুধুমাত্র ক্রিকেটে। আমি এই সব উপেক্ষা করতাম। আমি গর্বিত যে আমি পাকিস্তানের হয়ে খেলেছি।’

কানেরিয়া পাকিস্তান দলে থাকার সময় থেকেই ক্রমাগত চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে আসছিলেন। তবে সবশেষ অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন সাবেক অধিনায়ক আফ্রিদির বিরুদ্ধে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ নিয়ে করা গুরুতর অভিযোগ এরই মধ্যে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করছে ক্রিকেট মহলে।

২০০০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক হওয়ার পর ৬১ টেস্টে ২৬১ উইকেট তুলেছেন ৪১ বর্ষী এই ক্রিকেটার। ওয়ানডেতে ১৮ ম্যাচে নিয়েছেন ১৫ উইকেট। তবে স্পট-ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১০ সালে তাকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। পরে আর ফিরতে পারেননি ক্রিকেটে।

‘আমার বিরুদ্ধে স্পট-ফিক্সিংয়ের মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছিল। মামলায় জড়িত ব্যক্তির সাথে আমার নাম যুক্ত করা হয়েছিল। ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তি আফ্রিদি সহ অন্যান্য পাকিস্তানি ক্রিকেটারদেরও বন্ধু ছিল। কিন্তু আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। অনেক ফিক্সার আছে যারা নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেলেছে। আমি তা পারছি না। আমি দেশের হয়ে খেলেছি অন্যদের মতো আমাকেও সুযোগ দেওয়া উচিত। পিসিবিকে কোনো চাকরির জন্য বলছি না, দয়া করে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিন যাতে আমি শান্তিতে থাকতে পারি।’

এর আগে সাবেক পাকিস্তানি কিংবদন্তি পেসার শোয়েব আখতারও কানেরিয়ার ব্যাপারে একই কথা বলেছিলেন। হিন্দু হওয়ায় দলে তার সাথে কেমন আচরণ করা হত তা তুলে ধরেছিলেন।

‘শোয়েবই প্রথম ব্যক্তি যিনি আমার সমস্যা নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলেছিলেন। এটা বলার জন্য তাকে কর্তৃপক্ষের দ্বারা চাপ দেওয়া হয়েছিল। তারপর তিনি থামেন। এটা আমার সাথে হয়েছে। আমি সবসময়ই আফ্রিদির দ্বারা অপমানিত ছিলাম। আমরা একই বিভাগের হয়ে খেলতাম, সে আমাকে বেঞ্চে রাখতেন ও ওয়ানডে খেলতে দেননি।’

বাংলা প্রবাহ/ সু

Ecare Solutions
শর্টলিংকঃ