বিশ্বকাপ চলাকালীন ‘অবৈধ সম্পর্ক’ গড়লে ৭ বছরের জেল!

Ecare Solutions

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার বরাবরই রক্ষণশীল। বিশ্বকাপ দেখতে যাওয়া ফুটবলপ্রেমীদের সেখানকার সংস্কৃতি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। নয়ত পড়তে হবে ভয়াবহ বিপদে। যেতে হতে পারে জেলেও। দেশটিতে ভ্রমণে আগ্রহী ফুটবল অনুরাগীদের সর্তকও করে দিচ্ছে কাতার। বিশ্বকাপ দেখতে এসে কেউ যদি অবৈধ শারীরিক সম্পর্কে জড়ান অথবা একরাত একসাথে থাকেন, ধরা পড়লে হবে ৭ বছরের জেল।

আসছে ২১ নভেম্বর পর্দা উঠবে ফুটবল মহারণের। শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ছিনিয়ে নিতে পাল্লা দিয়ে লড়বে ৩২ দল। পছন্দের দলকে সমর্থন দিতে লক্ষ লক্ষ সমর্থক পৌঁছাবেন কাতারে। হোটেলগুলোতে চলছে শেষ সময়ের ধোয়ামোছা। সমর্থকরাও খোঁজ নিতে শুরু করেছেন কোথায় উঠবেন। সুযোগ সুবিধাই বা কেমন। এমন সময়ে কাতারের নতুন সতর্কবার্তা চিন্তার ভাঁজ ফেলতে পারে দেশটিতে বসে ফুটবল দেখতে চাওয়া সমর্থকদের।

ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে বিয়ে না করেও একসাথে থাকাটা স্বাভাবিক দৃষ্টিতে দেখা হলেও এ ব্যাপারে বেশ কঠোর কাতার। বিবাহ ব্যতীত একসাথে থাকতে পারবেন না কোনো সমর্থক। হোটেলগুলোতেও থাকছে বাড়তি নজরদারি। অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে ধরা পড়লেই হবে সাত বছরের জেল।

পেনাল কোড ২০০৪-এর অধীনে সমলিঙ্গের সহবাস নিষিদ্ধ এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ালে ১ বছরের জেল হতো। বিশ্বকাপ উপলক্ষে সেটা বাড়িয়ে ৭ বছর করা হয়েছে। দেশটির পুলিশের অভ্যন্তরীণ এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিষয়টি জানিয়েছেন।

‘আপনি যদি স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে এখানে না আসেন, তবে নিশ্চিতভাবেই টুর্নামেন্টে কোনো ওয়ান-নাইট স্ট্যান্ড থাকবে না। সত্যিই কোনো পার্টি করা হবে না। প্রত্যেককে এসব মাথায় রাখতে হবে। যদি না তারা কারাগারে আটকে পড়ার ঝুঁকি নিতে চান।’

‘প্রথমবারের মতো এবারের বিশ্বকাপে মূলত যৌন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ভক্তদের সেজন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। খেলার পরে পানীয় এবং পার্টি সংস্কৃতি, কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আপনি ধরা পড়লে খুব কঠোর এবং ভীতিকর পরিণতি হবে।’

বিশ্বকাপ চলবে ডিসেম্বরের ১৮ তারিখ পর্যন্ত। যার কদিন পরই রয়েছে বড়দিনের উৎসব। বিশ্বকাপে আসা দর্শকদের তাই বাড়তি সচেতন থাকতে হবে মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি সম্পর্কে।

 

 

বাংলা প্রবাহ/ সু

Ecare Solutions
শর্টলিংকঃ