কালো টাকা সাদা করলেন ২হাজার ৩০০ জন

Ecare Solutions

বাজেটে সুযোগ দেওয়া হলেও ২০২১-২২ অর্থবছরে কালো টাকা সাদা করার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে। বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে ২ হাজার ৩০০ জন কালো টাকা সাদা করেছেন। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১২ হাজার কালো টাকার মালিক কর দিয়েছিলেন। মূলত কর ছাড়ের পরিমাণ কম থাকায় কালো টাকা সাদা করার প্রবণতা কমেছে। গত সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত অর্থবছরে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, জমি-ফ্ল্যাট ক্রয়, ব্যাংকে রাখা সব ধরনের কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ছিল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, কালো টাকা সাদা করার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে গেল বছরে উচ্চ কর আরোপকে। ২০২১-২২ অর্থবছরে করের হার ২২ থেকে ২৫ শতাংশ করা হলেও আগের ২০২০-২১ অর্থবছরে ছিল ১০ শতাংশ। এ কারণে বেশিসংখ্যক কালো টাকার মালিক সাড়া দেননি।

গেল অর্থবছরে ১১৩ কোটি টাকা কর দিয়ে কালো টাকায় ফ্ল্যাট-জমি কিনেছেন ২ হাজার ২৫১ জন। যা আগের অর্থবছরে তুলনায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১১ হাজার ৫৭৩ জন করদাতা জমি ও ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ করে কালো টাকা সাদা করেছিলেন। প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা জরিমানা দিয়ে পুঁজিবাজারে ১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন ৫১ জন। ২০২০-২১ অর্থবছর ২৮৬ জন করদাতা পুঁজিবাজারে ৪০০ কোটি কালো টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। গত অর্থবছরে ৯ জন বিনিয়োগকারী ১০ লাখ টাকা কর দিয়ে শিল্প খাতে ১ কোটি কালো টাকা বিনিয়োগ করেছেন। ১৯৭৫ সালে প্রথমবারের মতো এ দেশের করদাতাদের সামনে এ ধরনের সুযোগ আসে। ১৭ বার এ সুযোগ দেওয়া হয়। ২০০৭ ও ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বেশি কালো টাকা সাদা হয়। ওই সময় ৩২ হাজার ৫৫৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ সুযোগ নিয়েছিল।

 

 

বাংলা প্রবাহ/ সু

Ecare Solutions
শর্টলিংকঃ