জাতীয় শোক দিবস স্মরণে চট্টগ্রাম জেলা নির্মূল কমিটির আলোচনা সভা

Ecare Solutions

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু এবং ধর্মনিরপেক্ষ মানবতা ও বিশ্ব শান্তির দর্শন’-শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ আগস্ট বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস. রহমান মিলনায়তনে সংগঠনের জেলা সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারের সভাপতিত্বে এতে সম্মানিত আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য জননেতা নইম উদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জননেতা মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বোর্ড সদস্য জননেতা জসিম উদ্দিন শাহ্। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাাদক ও ৮ম জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি।

বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত কবিতা আবৃত্তি করেন খ্যাতিমান বাচিক শিল্পী ও আবৃত্তি গবেষক ডালিয়া বসু সাহা এবং অ্যাডভোকেট মিলি চৌধুরী।

সংগঠনের কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক মো. অলিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের সহ-সভাপতি দীপংকর চৌধুরী কাজল ও মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাবিব উল্লাহ চৌধুরী ভাস্কর, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল আলম খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিথুন মল্লিক, অ্যাডভোকেট মো. সাহাব উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রুবা আহসান, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহাদাত নবী খোকা, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. মোজাহেরুল আলম, তরুণ শিক্ষাবিদ ও শিল্পোদ্যোক্তা মো.সাজ্জাদ উদ্দিন, সংগঠনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন চৌধুরী, আসাদুজ্জামান জেবিন, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সূচিত্রা গুহ টুম্পা, সহ-প্রচার ও গণমাধ্যম সম্পাদক রুবেল চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাজীব চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য এম. হামিদ হোছাইন, আব্দুল কাদের, আখতার হোসেন, মুক্তা জামান, আকিব জাবেদ, সংগঠনের বাঁশখালী শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন সায়েম, রাহুল দাশ, কানিজ ফাতেমা, দর্পন সাহা, মো. কামরুল ইসলাম মিন্টু, আয়শা ছিদ্দিকা, জয়া সিংহ, উল্লাস পোদ্দার, রিকন বড়ুয়া, মো. মনির, মো. রায়হান, জয়নুদ্দীন জয়, রিনা বেগম, শাহনাজ বেগম, রুজি আকতার, সেলিনা আকতার, শারমিন আকতার, সাদ্দাম হোসাইন, জেসমিন আক্তার জেসি, ফয়েজ আহমদ টিপু, মো. সেলিম উদ্দিন, মাজহারুল ইসলাম সাদ, মো. সোহেল, চৌধুরী জসীমুল হক, ওয়াকিব আশিক, ইসতিহার হোসেন রাফি প্রমুখ।
<span;>নইম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিশ্বমানবতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র বঙ্গবন্ধু নিজ দেশে ধর্মনিরপেক্ষতার মাধ্যমে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিতকরণে নিরলস অবদান রেখেছেন।

মফিজুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ধর্মনিরপেক্ষতার যে ধারণা দিয়েছিলেন, তা পশ্চিমা বিশ্বের ধর্মনিরপেক্ষতার ধরণ থেকে আলাদা ছিল। সেক্যুলারিজম বলতে বঙ্গবন্ধু বুঝিয়েছিলেন অসাম্প্রদায়িকতা। বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়; বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষতা মানে সমাজে শান্তি বজায় রেখে সবার নিজ নিজ ধর্ম পালন করা, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা, ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করা।

শওকত বাঙালি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ধর্মনিরপেক্ষতার অন্যতম স্পষ্ট সমর্থক, যেখান থেকে বিশ্ব শিখতে পারে। বিশেষত ভারতীয় উপমহাদেশের সকল দেশ বঙ্গবন্ধুর চিন্তা ও দর্শন থেকে দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা নিতে পারে।
<span;>সভাপতি দেলোয়ার মজুমদার বলেন, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে মানুষের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা থাকবে না, তা বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন না। বঙ্গবন্ধু ধর্মনিরপেক্ষতার যে ধারণা দিয়েছিলেন তা ধর্মনিরপেক্ষতার পশ্চিমা সংস্করণ থেকে আলাদা ছিল। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল শোষণহীন রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলা।

Ecare Solutions
শর্টলিংকঃ