সংবিধান দিবস উপলক্ষে নির্মূল কমিটির বেরোবি শাখার আলোচনা সভা

Ecare Solutions

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ৫১তম জাতীয় সংবিধান দিবস উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন এবং ১৯৭২ সংবিধান’ এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বেরোবি শাখা একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আয়োজনে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি বেরোবি শাখার সভাপতি ড. মোঃ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ সামসুল হকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি রংপুর জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ মফিজুল ইসলাম মান্টু, মানবাধিকার আইনজীবী ও আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট কোহিনুর বেগম, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. পরিমল চন্দ্র বর্মন, উপ- পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও সহ-সভাপতি মোঃ এরশাদুজ্জামান, কার্যনির্বাহী সদস্য ও শিক্ষার্থী মোঃ সাগর শেখ সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক- শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান, শিক্ষার্থী বিশাল নুনিয়া। এতে বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মূল আলোচকের বক্তব্যে ডাঃ মফিজুল ইসলাম মান্টু বলেন, ৭২ এর সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতা। আমরা বর্তমানে তা বজায় রাখতে পারছিনা। পূজা-পার্বনে সংখ্যালঘুদের উপর যে অত্যাচার হয় তা আমরা চাইনা।

এ্যাডভোকেট কোহিনুর বেগম বলেন, সংবিধান হলো ভিত্তি এর আলোকে যে কোন আইন ও নীতি করা হয়। বর্তমানে প্রনীত অনেক নারী উন্নয়ন নীতি এর ফল।

সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মোরশেদ হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন হলো- বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন, রাষ্ট্রচিন্তা, সমাজ ভাবনা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গীর সমন্বিত রূপ। সুদীর্ঘ লড়াই- সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছিল বঙ্গবন্ধুর এই রাজনৈতিক দর্শন। এই রাজনৈতিক দর্শন থেকে সংবিধানে বঙ্গবন্ধু ৪টি মূলনীতি যুক্ত করেন।

Ecare Solutions
শর্টলিংকঃ